Now you have implemented jQuery library into your blog. Now lets see how to add scrolling recent posts widget to blogger. If you've already inserted jQuery code then don't put it again. Now Add A new HTML/JavaScript widget Then paste the code given below:
Showing posts with label স্ট্রোক. Show all posts
Showing posts with label স্ট্রোক. Show all posts

Thursday, August 8, 2019

ব্যথার ওষুধ কতটা ক্ষতিকর আপনি জানেন?

ঘাড়, কোমর, হাঁটুসহ শারীরিক ব্যথাক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষের ব্যথা কমানোর প্রধান অবলম্বন হয়ত ব্যথানাশক ওষুধ। কিন্তু আমরা কখনও কি ভেবে দেখেছি, ব্যথার ওষুধ কতটা ক্ষতিকর! ব্যথার ওষুধ গ্যাস্ট্রিক আলসার তৈরি করে অথবা কিডনীর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব আছে এটা প্রায় সবার জানা। কিন্তু অতি সম্প্রতি আমেরিকান কার্ডিয়াক সোসাইটি জানাচ্ছে, সবচেয়ে সহনশীল ব্যথানাশক আইবুপ্রোফেনও হার্টঅ্যাটাকের জন্য দায়ী হতে পারে।     ব্যথার ওষুধের বিকল্প আছে কি : পৃথিবী যত উন্নত হচ্ছে মানুষ তত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছে। সামান্য ব্যথা সারাতে কিডনী বা হৃদযন্ত্রকে আঘাত করতে কেউই চাইবেন না। তাই সারা বিশ্বে ব্যথার ওষুধবিহীন ব্যথার চিকিৎসা দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কারণ নির্ণয় করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ব্যথার চিকিৎসা করা যায়। কিছু সাধারণ শারীরিক ও কিছু প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমেই খুব সহজেই ব্যথার প্রকৃত কারণ নির্নয় করা সম্ভব। আর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে বেশিরভাগ শারীরিক ব্যথার চিকিৎসা ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়াই করা সম্ভব। গত কয়েক মাস আগে একজন ব্যথার রোগীর সঙ্গে পরিচিত হলাম যিনি কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে তিন মাস ব্যথানাশক সেবন করেছেন। তার অভিযোগ ছিল, ওষুধ খেয়ে সাময়িক মুক্তি মিলছে বটে কিন্তু ওষুধ বন্ধ করলে আবার ব্যথা ফিরে আসছে। ইতিহাস নিয়ে জানা গেল উনি দিনে ৯/১০ ঘণ্টা বসে কাজ করেন। তার বসার চেয়ার বদল, কিছু বিজ্ঞানসম্মত ব্যায়াম আর ইলেক্ট্রোথেরাপি তাকে ব্যথামুক্ত জীবন উপহার দিয়েছে।     শেষ কথা : শারীরিক ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার মূলমন্ত্র হল ব্যথার কারণ নির্ণয়। ব্যথার প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য থাকুন।

ঘাড়, কোমর, হাঁটুসহ শারীরিক ব্যথাক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষের ব্যথা কমানোর প্রধান অবলম্বন হয়ত ব্যথানাশক ওষুধ। কিন্তু আমরা কখনও কি ভেবে দেখেছি, ব্যথার ওষুধ কতটা ক্ষতিকর! ব্যথার ওষুধ গ্যাস্ট্রিক আলসার তৈরি করে অথবা কিডনীর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব আছে এটা প্রায় সবার জানা। কিন্তু অতি সম্প্রতি আমেরিকান কার্ডিয়াক সোসাইটি জানাচ্ছে, সবচেয়ে সহনশীল ব্যথানাশক আইবুপ্রোফেনও হার্টঅ্যাটাকের জন্য দায়ী হতে পারে।



ব্যথার ওষুধের বিকল্প আছে কি : পৃথিবী যত উন্নত হচ্ছে মানুষ তত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসার দিকে ঝুঁকছে। সামান্য ব্যথা সারাতে কিডনী বা হৃদযন্ত্রকে আঘাত করতে কেউই চাইবেন না। তাই সারা বিশ্বে ব্যথার ওষুধবিহীন ব্যথার চিকিৎসা দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কারণ নির্ণয় করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ব্যথার চিকিৎসা করা যায়। কিছু সাধারণ শারীরিক ও কিছু প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমেই খুব সহজেই ব্যথার প্রকৃত কারণ নির্নয় করা সম্ভব। আর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে বেশিরভাগ শারীরিক ব্যথার চিকিৎসা ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়াই করা সম্ভব। গত কয়েক মাস আগে একজন ব্যথার রোগীর সঙ্গে পরিচিত হলাম যিনি কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে তিন মাস ব্যথানাশক সেবন করেছেন। তার অভিযোগ ছিল, ওষুধ খেয়ে সাময়িক মুক্তি মিলছে বটে কিন্তু ওষুধ বন্ধ করলে আবার ব্যথা ফিরে আসছে। ইতিহাস নিয়ে জানা গেল উনি দিনে ৯/১০ ঘণ্টা বসে কাজ করেন। তার বসার চেয়ার বদল, কিছু বিজ্ঞানসম্মত ব্যায়াম আর ইলেক্ট্রোথেরাপি তাকে ব্যথামুক্ত জীবন উপহার দিয়েছে।



শেষ কথা : শারীরিক ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার মূলমন্ত্র হল ব্যথার কারণ নির্ণয়। ব্যথার প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য থাকুন।

ভারতের ফর্টিস হাসপাতালের কান্ডঃ ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫ দিনে ১৬ লাখ রুপি বিল!!

ভারতের ফর্টিস হাসপাতালের কান্ডঃ ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫ দিনে ১৬ লাখ রুপি বিল!!
ভারতের ফর্টিস হাসপাতালের কান্ডঃ ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫ দিনে ১৬ লাখ রুপি বিল!!

ডেঙ্গুর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিল ৭ বছরের একটি মেয়ে। ১৫ দিন পর  ২৭০০ গ্লাভস আর ৫০০ সিরিঞ্জের খরচ দেখিয়ে হাসপাতাল তার বাবা মাকে বিল ধরিয়েছে  ১৬ লাখ টাকার। এরকমই অভিযোগ উঠেছে  ভারতের গুরগাঁও (দিল্লি) ফর্টিস হাসপাতালের বিরুদ্ধে।


জানা গেছে, যমজ দুই বোনের মধ্যে আদ্যা ছিল একটু বড়। ২  মাস আগে ডেঙ্গু হয় তার। তাকে ভর্তি করা হয় দ্বারকার এক বেসরকারি হাসপাতালে। পঞ্চম দিনে বাবা মা তাকে নিয়ে আসেন গুরগাঁও-র ফর্টিস হাসপাতালে। অভিযোগ, তাঁদের কোনও কিছু না জানিয়ে পরদিনই আদ্যাকে ভেন্টিলেটরে দিয়ে দেয় হাসপাতাল।

এরপর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। মস্তিষ্ক থেকে কিডনি-গুরুত্বপূর্ণ সব অঙ্গ আক্রান্ত হয় ডেঙ্গিতে। হাসপাতাল শুধু ওষুধের বিলই ধরিয়েছে  ৪ লাখ টাকার। শিশুটির ৭০ শতাংশ মস্তিষ্ক ড্যামেজ হয়ে গেলেও হাসপাতাল বলে গোটা শরীরে প্লাজমা ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হবে, যার খরচ ১৫-২০ লাখ টাকা। তার বাবা মা জিজ্ঞেস করেন, সন্তানের বাঁচার সম্ভাবনা নেই তা পরিষ্কার, তাহলে এই প্লাজমা ট্রান্সপ্ল্যান্টের যৌক্তিকতা কী। অভিযোগ, হাসপাতাল নাকি দাবি করে, মস্তিষ্ক অকেজো হয়ে গেলেও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর ফলে কাজ শুরু করতে পারে।

শিশুটির মা দীপ্তির অভিযোগ, মৃত্যুর পর তাঁর মেয়েকে যে কাপড়ে ঢেকে দেয় হাসপাতাল, বিলে তার দামও ধরে নিয়েছে তারা।

সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর এ ব্যাপারে টুইট করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হস্তক্ষেপ চান।ঘটনার কথা জানতে পেরে এ ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা।

হাসপাতাল অবশ্য বলছে, আদ্যার অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক ছিল, সে ব্যাপারে জানানো হয় তার পরিবারকে। সমস্ত নিয়মকানুন, প্রটোকল মেনেই তার চিকিৎসা হয়েছে বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তবে বাস্তবতা  হল, ভারতের বিভিন্ন হাসপাতাল নিয়ে এই ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। বেশ কয়েক মাস আগে দিল্লিতে ফর্টিসের বসন্ত কুঞ্জ শাখায় বিহারের এক গরিব মেহনতি মানুষের বাচ্চার মৃতদেহ আটকে রাখা হয়েছিল মাত্র সাড়ে তিন হাজার রুপি বকেয়া আছে, এই অপরাধে।

কিছুদিন আগে কলকাতার এক কর্পোরেট হাসপাতালে প্রায় দুলক্ষ রুপির মেডিক্যাল বিল ওপর মহলে চাপ দেওয়ার পর কীভাবে ছ-সাত হাজারে নেমে এসেছিল, তা নিয়ে বিপুলজিৎ বসুর একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছিল।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

ব্রেইন স্ট্রোক পুনর্বাসনে নতুন পদ্ধতিঃ শুধু প্রাণ নিয়ে নয় – রোগীকে সচল করে ঘরে ফেরায়


সাধারণত ব্রেইন স্ট্রোক হলে পক্ষাঘাতে মানুষের কোন না কোন শারিরীক কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, কখনো বা রোগী চলৎশক্তি হারিয়ে ফেলে। কোনভাবে প্রাণে বেঁচে স্ট্রোক রোগী বাসায় ফিরে আসে – আমৃত্যু নিজে এবং পরিবারের মানুষদের জন্য বয়ে আনে চরম দূর্ভোগ । সারা জীবনের জন্য বয়ে বেড়ায় স্ট্রোকের অভিশাপ।


কিন্তু সেই দিন বুঝি এখন শেষ। রাজধানীর নিউ ইস্কাটনস্থ ‘ ইন্সটিটিউট অব নিউরো-ডেভেলপমেন্ট এন্ড রিসার্চ’ (আই এন ডি আর) স্ট্রোক রোগীদের জন্য নিয়ে এসেছে এক নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি যা অতি স্বল্প সময়ে স্ট্রোক রোগীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে এনে তাঁদের সম্ভাব্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে। তবে এই পদ্ধতি প্রথাগত দীর্ঘমেয়াদী ফিজিওথেরাপি নয়, বরং ফিজিওথেরাপি ও অকুপেশনাল থেরাপির পাশাপাশি উচ্চ প্রযুক্তির কিছু আধুনিক প্রযুক্তিগত পদ্ধতির সমন্বয়ে এটি একটি সর্বাধুনিক মেথড অথচ খরচের দিক থেকে অন্য দেশের তুলনায় অনেক কম।


ইংল্যান্ড থেকে উচ্চতর ডিগ্রী ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নিউরো-রিহ্যাব বিশেষজ্ঞের অধীনে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ‘ইন্সটিটিউট অব নিউরো-ডেভেলপমেন্ট এন্ড রিসার্চ’ দেশেই স্ট্রোক রোগীদের জন্য এই অত্যাধুনিক রিহ্যাবিলিটিশন সেবা দিচ্ছে। যা কিছুদিন আগেও পশ্চিমা বিশ্ব ছাড়া আর কোথাও কল্পনাও করা যেতো না। এমনকি ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ সমুহেও স্ট্রোক পুনর্বাসনে এধরণের ব্যাবস্থার এখন পর্যন্ত তেমন সুযোগ নেই।


আই এন ডি আর ফিজিওথেরাপি ও অকুপেশনাল থেরাপির পাশাপাশি উচ্চ প্রজুক্তির নন-ইনভেসিভ ব্রেইন স্টিমুলেশন (নিউরো মড্যুলেশন, ট্রান্স ক্রেনিয়াল ফোটো-বায়ো মড্যুলেশন, ট্রান্স ক্রেনিয়াল ম্যাগনেটিক স্টিমুলেশন), ফাংশনাল ইলেকট্রিক্যাল স্টিমুলেশন (FES), সাস্পেনশন গেইট ট্রেইনার (যা অত্যাধুনিক ভাবে হাঁটা’র সক্ষমতা ফিরিয়ে আনে); এমন সব আধুনিক পদ্ধতির সমন্বয়ে ব্রেইন স্ট্রোক রোগীদের সেবা প্রদান করছে, যার মাধ্যমে স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীগন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত সক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে।


সাধারণভাবে স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে মস্তিস্কের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার কারণে স্ট্রোকজনিত লক্ষণসমূহ দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। শরীরের কোন কোন অংশ পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে পড়ে। স্মৃতি শক্তি বা চিন্তা চেতনা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায় । কথা বলতে বা বুঝতে এবং আবেগে অসংলগ্নতা সহ নানা রকম স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়, যেসব শারীরিক ত্রুটি চিকিৎসা গ্রহণের পরও রোগীর কাটিয়ে উঠতে অনেক সময় লেগে যায়। কখনো বা জটিলতার কারণে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে থাকে। এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিতে সেধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেকাংশেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।


ঢাকাসহ দেশের যে কোন প্রান্তের স্ট্রোক রোগীরাই বাংলাদেশ স্ট্রোক এ্যাসোসিয়েশন (World Stroke Organization এর বাংলাদেশ মেম্বার) এর অনুমোদিত ‘ইন্সটিটিউট অব নিউরো-ডেভেলপমেন্ট এন্ড রিসার্চ’ এর এই সর্বাধুনিক স্ট্রোক রিহ্যাবিলিটেশন সুবিধা পেতে পারেন, তবে স্ট্রোক রোগীদের আধিক্যের কারণে বেশ কিছু দিন আগে থেকেই টেলিফোনে (01931 40 59 86) অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করেই রোগীকে নিয়ে যাওয়া উত্তম।