Now you have implemented jQuery library into your blog. Now lets see how to add scrolling recent posts widget to blogger. If you've already inserted jQuery code then don't put it again. Now Add A new HTML/JavaScript widget Then paste the code given below:

Monday, August 5, 2019

সুস্থ শরীরের জন্য পেস্তার গুনাগুন জানুন

সুস্থ শরীরের জন্য পেস্তার গুনাগুন জানুন


প্রত্যেকেই এমন খাবারের খোঁজে থাকেন যে খাবার একাই অনেক খাবারের সমান। যে খাবার খেলে শরীরের অনেকগুলো চাহিদা একসঙ্গে একইসময়ে মিটে যায়। যদিও এই ধরনের খাবার কিন্তু খুব বেশি নেই। তবে আপনার পরিচিত কয়েকটি খাবারের মধ্যে রয়েছে এমনই কিছু বিশেষত্ব।


পেস্তাও সেই তালিকার একটি খাবার। দেখতে ছোট, খেতেও আহামরি কিছু নয়, তবে খাদ্যগুণে ছাপিয়ে যাবে অনেক খাবারকে-ই। কী কী গুণ রয়েছে একমুঠো পেস্তায়, দেখে নেওয়া যাক এই প্রতিবেদনে।


১। ডায়েট কন্ট্রোল

ডায়েট কন্ট্রোল করছেন অথচ ভাবছেন খাবারের তালিকায় কী কী রাখা যেতে পারে। খাবারের তালিকায় যাই রাখুন না কেন, বাদ রাখা যাবে না পেস্তাকে। কারণ পেস্তার ক্যালোরি লেভেল খুবই কম। বরং পেস্তা হল শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির সম্ভার। একদিকে যেমন কার্বোহাইড্রেটের মত উপাদান পেস্তিয় কম পরিমাণে থাকে, তেমনই প্রোটিন আর ফাইবারে সমৃদ্ধ একটি খাবার। পেস্তার ফ্যাট নিয়েও চিন্তার কোনও কারণ নেই। পেস্তায় ক্ষতিকর স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম। বরং উপকারী আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট তুলনায় বেশি থাকে পেস্তার মধ্যে। ফাইবার আর প্রোটিনের মত ভারী উপাদান থাকায় পেস্তা অনেকটা সময় পর্যন্ত পেট ভর্তি রাখে। এতরকম গুণ আছে বলে পেস্তা নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি খাবেন না যেন। কারণ এর হাই প্রোটিন। পেস্তা বেশি পরিমাণে খেলে এই হাই প্রোটিন শরীরে ফ্যাট হয়ে জমাট বাঁধে। ফলে পুরো ডায়েটটাই তখন মাটি হয়ে যায়।

২। অ্যানিমিয়া থেকে মুক্তি

অ্যানিমিয়ার কারণে রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে যাচ্ছে দিনদিন। শরীর দুর্বল হয়ে পড়েছে, মাথাও ঝিমঝিম করতে থাকে। এসবের থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাবেন যদি পেস্তা খান নিয়মিত। পেস্তায় আছে প্রচুর পরিমাণে মিনেরেলস । এছাড়াও আয়রন আর কপারের উপস্থিতির কারণে এটি শরীরে আয়রনের পরিমাণ বাড়ায় । একইসঙ্গে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

৩। ডায়াবেটিস কন্ট্রোল

ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে প্রোটিন গ্লাইকেশন পদ্ধতিতে জমাট বেঁধে যায়। কারণ হল রক্তে সুগারের উপস্থিতি। পেস্তায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা এই গ্লাইকেশন পদ্ধতিতে বাধা দেয়। প্রোটিন গ্লাইকেশন পদ্ধতিতে জমাট না বাঁধলে ডায়াবেটিস থাকে নিয়ন্ত্রণে। পেস্তা শুধু যে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, তা নয়, বরং ব্লাড প্রেশার আর ব্লাড সুগারও সহজে বাড়তে দেয় না।


৪। দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের দৃষ্টিশক্তি সবার ক্ষেত্রেই কমতে থাকে। কারণ হল ম্যাকুলার ডিজেনারেশন। এই রোগে চোখের রেটিনা নষ্ট হতে থাকে। শুধু এটাই নয়, ছানি পড়ার মত ঘটনাও বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক ঘটনা । ছানি পড়ে চোখের লেন্সের উপর যা দীর্ঘদিন ধরে পড়তে থাকলে চোখের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যায়। পেস্তায় আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিউটিন আর জিয়াক্সানথিন। এই দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মিলে চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে। এই দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জন্য চোখে সহজে ছানি পড়তে পারে না। এমনকি রেটিনার স্বাস্থ্যও দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

৫। হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়

বেশকিছু সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে কেউ যদি নিয়মিত পেস্তা খান, তার ক্ষেত্রে হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। পেস্তার কোন খাদ্যগুণ হৃদরোগ কমাতে সাহায্য করে? কিছু বিশেষজ্ঞের মত, পেস্তায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম । এই পটাশিয়ামের কাজ হল শরীরের সমস্ত পেশির যাতে ঠিকঠাক কাজ করে তা দেখা। একইসঙ্গে হার্টের পেশির কাজও ঠিক রাখে পটাশিয়াম। শুধু তাই নয়, শ্বাস প্রশ্বাস ঠিক রাখতেও এই পটাশিয়াম প্রয়োজন‌।

0 comments:

Post a Comment