Now you have implemented jQuery library into your blog. Now lets see how to add scrolling recent posts widget to blogger. If you've already inserted jQuery code then don't put it again. Now Add A new HTML/JavaScript widget Then paste the code given below:

Wednesday, August 14, 2019

স্তন ক্যান্সার সনাক্ত করণে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছে AI প্রযুক্তি

স্তন ক্যান্সার সনাক্ত করণে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছে AI প্রযুক্তি


ক্যান্সার বা কর্কটরোগ খুব সাংঘাতিক একটি রোগ। এখনও পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার সহজে ধরা পড়ে না। ফলে শেষ পর্যায়ে গিয়ে ভালো চিকিৎসা করালেও তা সারানো সম্ভব হয় না, বরং কোনও কোনও সময় তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। 


বাস্তবিক অর্থে, এখনও পর্যন্ত ক্যান্সার চিকিৎসায় পুরোপুরি কার্যকর কোনও ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। ক্যান্সার সারানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পরলে এই রোগ সারানোর সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। বর্তমানে ক্যান্সার নিয়ে প্রচুর গবেষণা হচ্ছে এবং এ সম্পর্কে নতুন নতুন অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ক্যান্সার কী ? বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোটো ছোটো কোষের মাধ্যমে তৈরি। এই কোষগুলো একটা নির্দিষ্ট সময় মারা যায়। এই পুরনো কোষগুলোর জায়গায় নতুন কোষ জন্মায়। সাধারণত, কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে এবং নিয়মমতো বিভাজিত হয়ে নতুন কোষের জন্ম দেয়। যখন এই কোষগুলো কোনও কারণে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে তখনই ত্বকের নিচে মাংসের দলা অথবা চাকা দেখা যায়। একেই টিউমার বলে। এই টিউমার বিনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট হতে পারে। এই ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকেই ক্যান্সার বলে। ক্যান্সার অনেক ধরনের হয়। স্তন ক্যান্সার তার মধ্যে একটি। 




স্তন ক্যান্সার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেয়েদের হয়। স্তন ক্যান্সারে নারীদের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। নিয়মিত ব্যায়াম, শরীরের ওজন নিয়ণ্ত্রণ ও সন্তান হওয়ার পর অন্তত ছয় মাস বাচ্চাকে স্তন্যপান করালে কিছুটা হলেও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। এই রোগে নারীদের সচেতন করার পাশাপাশি এখন পুরুষদেরকেও সচেতন করা হচ্ছে।

যদিও পুরুষদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার খুবই কম। দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর ৪০ হাজার মহিলা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, সেই তুলনায় মাত্র ৩০০ জন পুরুষ এই রোগে আক্রান্ত হন।

 স্তন ক্যান্সারের উপসর্গ -
ক) স্তনের কোনও অংশ চাকা চাকা হয়ে যাওয়া অথবা স্তনের মধ্যে লাম্প দেখা যায়।
খ)স্তনের আকৃতিতে পরিবর্তন হয়।
গ) স্তনবৃন্তের আকারে পরিবর্তন হয়।
ঘ) স্তনবৃন্ত থেকে রক্ত বা তরল পদার্থ নিঃসৃত হয়।
ঙ) স্তনবৃন্তের আশেপাশে ফুসকুড়ি বেরোনো।
চ) স্তনের ভেতরের অংশ শক্ত বোধ হয়।
ছ) স্তনের চামড়ার রং পরিবর্তন হওয়া বা চামড়া মোটা হয়ে যায়।


 চিকিৎসা পদ্ধতি - প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ ধরা পড়লে শতকরা ৯০-৯৫ ভাগ রোগী সুস্থ হতে পারেন। এই ক্যান্সারের চিকিৎসা সাধারণত- সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, হরমোন থেরাপি এগুলির মাধ্যমে হয়ে থাকে।
 সার্জারি : স্তন ক্যান্সারের যেকোনো পর্যায়েই রোগীর সার্জারি করার প্রয়োজন হতে পারে। অনেক সময় শুধু টিউমার কেটে ফেলা হলেও কিছু ক্ষেত্রে পুরো স্তনই বাদ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

কেমোথেরাপি : বেশিরভাগ ক্যান্সার রোগীকেই কেমোথেরাপি নিতে হয়। যদিও, কেমোথেরাপিতে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, তবুও রোগীকে সুস্থ করে তোলার জন্য কেমোথেরাপির বিকল্প নেই। রোগীর শারীরিক অবস্থা, কেমোথেরাপির কার্যকারিতা, রোগীর আর্থিক অবস্থা ইত্যাদি বিবেচনা করেই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা উপযুক্ত পরামর্শ দেন।

রেডিওথেরাপি : বিশেষ ধরনের মেশিনের মাধ্যমে রোগীদের রেডিওথেরাপি চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে কম। সাধারণ কেমোথেরাপির পরই রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।

হরমোন থেরাপি : সব স্তন ক্যান্সারের রোগীর জন্য হরমোন থেরাপির দরকার নেই। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই শনাক্ত করেন হরমোন চিকিৎসা কোন রোগীর দরকার। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের চেয়েও নিখুঁতভাবে ক্যান্সার শনাক্ত করতে সক্ষম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এ.আই (Artificial Intelligence) নামক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এ.আই-এর ব্যবহার ক্যান্সার রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বছরে ২২ হাজার কমাতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


 সম্প্রতি লন্ডনের একদল গবেষক জানিয়েছে, অত্যাধুনিক এ.আই প্রযুক্তির দ্বারা স্তন ক্যান্সারের বিভিন্ন দিকগুলি শনাক্ত করা গেছে। এর ফলে, পাঁচ ধরনের স্তন ক্যান্সারকে আলাদাভাবে চিন্হিত করা সম্ভব হয়েছে, যেগুলিকে এতদিন একই ধরনের অন্তর্গত বলে গণ্য করা হত। এই প্রতিটা ধরন কীভাবে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতিতে সাড়া দিতে পারে , সে বিষয়েও এই গবেষণার ফলাফল আলোকপাত করেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অস্ত্রোপচারের সংখ্যা ৩০ শতাংশেরও বেশি কমিয়ে দিয়েছে। শুধু যুক্তরাজ্যেই প্রতি বছর ৪০ হাজার নারী স্তন ক্যান্সারে মারা যান। কিন্তু, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে, রোগীদের দ্রুত সুস্থ করে তোলা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

source:

0 comments:

Post a Comment